হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করার পর মহিলাকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথে একটি বড় গর্তের ধাক্কা খেয়ে আচমকা তাঁর শরীরে নড়াচড়া এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের লক্ষণ দেখা যায়। কোথায় ঘটল এমন কাণ্ড? পড়ুন
অবিশ্বাস্য এক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করার পর ৪৮ বছরের এক মহিলার দেহ অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথে একটি বড় গর্তে অ্যাম্বুল্যান্স পড়তেই আচমকা তাঁর শরীরে নড়াচড়া এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের লক্ষণ দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান।
জানা গিয়েছে, ভুজবালাপটনম গ্রামের প্রাক্তন সরপঞ্চ গুরাজলা রামাথুলসি দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। এলুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। পরিবারের দাবি, ভেন্টিলেটর ও সিপিআর প্রয়োগের পরও সাড়া না মেলায় চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
শেষকৃত্যের জন্য বাড়ি ফেরার পথে মান্দাভল্লি মণ্ডলের পুলাপার্রু গ্রামের কাছে অ্যাম্বুল্যান্স গর্তে পড়তেই পরিবারের সদস্যরা তাঁর শরীরে নড়াচড়া লক্ষ্য করেন। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা জানান, তিনি জীবিত থাকলেও অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরে তাঁকে এলুরু সরকারি হাসপাতাল হয়ে বিজয়ওয়াড়ার সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে তিনি আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন। পরিবারের দাবি, শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। প্রিয়জনকে কাছে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁর সুস্থতা কামনা করছেন। এই ঘটনায় হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

