তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় সাংগঠনিক রদবদল ঘটেছে। একই দিনে দুটি বড় ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে ঘাসফুল শিবিরকে।
প্রবীণ নেতা মানস ভূঁইয়া দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “আমি আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। বর্তমানে যা হচ্ছে, তাতে এই দলে আর থাকা যাবে না। আমার নিজস্ব সম্মান আছে।”
অন্যদিকে, দলের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর জায়গায় নতুন যুব সভাপতি হয়েছেন অর্ণব ব্যানার্জি।
এছাড়া উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। এতদিন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্ব দিতেন এই অঞ্চলের সংগঠন, এবার তাঁকে সরিয়ে কুণালকে একক দায়িত্বে আনা হয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, মানস ভূঁইয়ার দলত্যাগ ও সায়নী ঘোষের অপসারণের পর কুণাল ঘোষকে সামনে আনা আসলে তৃণমূলের ড্যামেজ কন্ট্রোলের কৌশল। তবে এই রদবদলের পর দলের ভেতরের ক্ষোভ কতটা থিতু হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

