অলিম্পিকে সোনা জয়ের আনন্দে মিষ্টিমুখ রাজগঞ্জ বাজারে

অলিম্পিকে সোনা জিতেছে একজন সুবেদার, তাও আবার জ্যাভলিন থ্রো বিভাগে, কিন্তু সেটা আবার কি জিনিস? তা অনেকেরই অজানা। গ্রামের অনেকেই বুঝতেই পারছেন না গতকালের সোনা জয়ের গুরুত্ত্ব। অলিম্পিক অ্যাথলেটিক্সে ভারতের ঐতিহাসিক সোনা জয়ের আনন্দ এবং খেলাধুলার ব্যাপারে জন সাধারণকে উৎসাহী করতে রাজগঞ্জ বাজারে মিষ্টিমুখ করালেন স্থানীয় শিক্ষক এবং বুদ্ধিজীবীরা।

অলিম্পিক অ্যাথলেটিক্সে নিরজ চোপড়ার ঐতিহাসিক সোনা জয়ের খুশিতে এদিন রাজগঞ্জ বাজার লাগোয়া পোস্টঅফিস মোড়ে দেশাত্মবোধক অনুষ্ঠান করা হয়। ‘চক দে ইন্ডিয়া’ গানে নাচ করেন এলাকার কিশোর কিশোরীরা। অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজগঞ্জের শিক্ষক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন দলের নেতারা।

উদ্যোক্তাদের তরফে শিক্ষক রাহুল ইসলাম জানান, নিরজ চোপড়ার সোনা জয় দেশের একটি বড় ইতিহাস। অনেকেই বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারছেন না। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বিরাট জয়ের গুরুত্ত উপলব্ধি করাতে এই আয়োজন। স্থানীয় শিক্ষক তথা সমাজসেবক তথা অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি অরিন্দম ব্যানার্জি জানান, জ্যাভলিন থ্রো, কি জিনিস? তা হয়ত অনেকেই জানেন না। নিরজের সাফল্যের মাধ্যমে অলিম্পিকের বিভিন্ন খেলাধুলার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্যই এই অনুষ্ঠানের গুরুত্ব রয়েছে।

উপস্থিত ছিলেন রাজগঞ্জের সুখানি অঞ্চলের প্রধান শম্পা দত্ত সহ পঞ্চায়েত শেখ ওমর ফারুক, শিক্ষিকা সোমা ব্যানার্জি, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব রঞ্জিত মন্ডল, নুর আলম, সাহিন আহমেদ প্রমুখ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, টোকিও অলিম্পিক্সে শনিবার জ্যাভলিন থ্রোয়ে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন নীরজ চোপড়া। ফাইনালে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৮৭.৫৮ মিটার ছুড়ে পদক জিতলেন তিনি। অলিম্পিক্সের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের কোনও ইভেন্টে সোনা জিতেলেন তিনি। ব্যক্তিগত ইভেন্টেও নিরজ দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি সোনা জিতলেন।