গোটা সিস্টেমকে প্রহসনে পরিণত করেছেন উনি, আর পুলিশই বা কেন কোর্টের নির্দেশ মানছে না? হাত মিলিয়েছে উনার সঙ্গে? নাহলে এখনও কেন গ্রেপ্তার হচ্ছে না প্রশান্ত বর্মণ? রাজগঞ্জের অপসারিত BDO-র মামলা খারিজ করে পুলিশকে কড়া কথা শুনিয়ে দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি।
হাইকোর্টের আত্মসমর্পণের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন প্রশান্ত। মঙ্গলবার সেই মামলা খারিজ করে কড়া ধমক দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চেলের বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “একজন ব্যক্তি গোটা বিচারব্যবস্থাকে উপহাসে পরিণত করেছেন। আদালতের আগের নির্দেশও মানা হয়নি। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
শুধু প্রশান্ত বর্মণের ভূমিকাই নয়, রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকাও কাঠগড়ায় তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের প্রশ্ন, হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন এখনও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি? বিচারপতিদের মন্তব্য, “আপনারা কী করছেন? হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ করুন।”
উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্ট প্রশান্ত বর্মণকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল এবং নির্দেশ অমান্য করলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের মতো পদক্ষেপের কথাও বলেছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ মানার বদলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।
সুপ্রিম কোর্টে আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর এখন পলাতক প্রাক্তন বিডিওকে গ্রেপ্তার করতে তদন্তকারী সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। একই সঙ্গে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, “ইচ্ছাকৃতভাবেই প্রশান্তকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।” যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
- প্রশান্ত বর্মণের মামলা খারিজ করে কড়া পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। কেন এখনও পলাতক প্রাক্তন বিডিওকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, পুলিশকে ধমক।

