উপনির্বাচনের মুখে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার তাঁর জামিনের আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মন্তব্য করেন, “মিলন প্রধানকে নির্বাচনে লড়তে দিন। আমি অন্তর্বর্তী জামিন দিচ্ছি। তিনি নির্বাচনে অংশ নিন। বাকিটা মামলার ভাগ্যের উপর নির্ভর করবে।”
বুধবার জামিনের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মিলন প্রধান। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত তাঁর আবেদন গ্রহণ করে। পরদিন অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর হওয়ায় ৬ অক্টোবরের নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বিরোধী শিবিরে স্বস্তি ফিরেছে।
জামিনের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই সাংবাদিক বৈঠকে মিলনের স্ত্রী অর্পিতা প্রধান জানিয়েছিলেন, স্বামী জেলবন্দি থাকায় তিনিই প্রচারের দায়িত্ব নেবেন। তিনি অভিযোগ করেন, পুরনো মামলায় ভোটের আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিলনকে। একই মামলায় অন্য অভিযুক্তরা বাইরে থাকলেও তাঁর স্বামীকে জেলে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেন অর্পিতা।
আদালতের বিচারপতিও রাজ্যের ভূমিকায় প্রশ্ন ছোড়েন। বলেন, ১৯ বছরের আগের মামলায় ২১-এর পর কেন তদন্তকারীরা গ্রেপ্তার করতে পারেনি? তাঁরা কি ২০২৬-এর জন্য অপেক্ষা করছিল? এদিন, আদালতের নির্দেশের পর নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াইয়ে ফের সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন মিলন প্রধান।

