বারুইপুর কাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট। জেলা পুলিশকে বিস্তারিত রিপোর্ট হলফনামা আকারে জমা দিতে নির্দেশ।
বারুইপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টার নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। অভিযোগ, গভীর রাতে অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশের দাবি, প্রভাস অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালান এবং পালানোর চেষ্টা করেন। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালাতে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জেলা পুলিশকে বিস্তারিত রিপোর্ট হলফনামা আকারে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানতে চেয়েছে, কেন গভীর রাতে অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল? পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না? ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়েছিল কি না? ইত্যাদি।
মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, পুলিশের দেওয়া ব্যাখ্যা মনগড়া মনে হচ্ছে। অভিযুক্তকে এমন সময়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল যে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। রাজ্যের আইনজীবী জানান, অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করেছিলেন বলেই তাঁকে পুনর্নির্মাণে নিয়ে যাওয়া হয়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। বারুইপুর জেলা পুলিশ সুপার অরবিন্দ কুমার আনন্দকে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৮ অগস্ট। ইতিমধ্যেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি অভিযুক্তেরা জেল হেফাজতে রয়েছেন।

