উপনির্বাচনের আগেই বড় ধাক্কা খেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন তাঁদের প্রার্থী। ফলে ভোটের আগেই মমতা তৃণমূলের খেলা শেষ? রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।
রেজিনগরের প্রার্থী রবিউলে কথায়, ‘কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অনেককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তাহলে আমরা ভোটে লড়ব কী করে? সেই কারণেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
শুক্রবার দুপুরে নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান আচমকাই শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তখনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল ছবিটা। কিছু পড়েই জানা যায়, তিনি নাম তুলে নিচ্ছেন উপনির্বাচন থেকে। সেই ঘটনার পর বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা বলেন মমতা। তারপর কংগ্রেস প্রার্থীকেও পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘটনায় সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে এবং চাপ সৃষ্টি করে প্রার্থীকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর আঘাত হানা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
রাজ্য রাজনীতিতে এমনিতেই তৃণমূলের প্রতীক এবং দলীয় পরিচয় নিয়ে সংঘাত তুঙ্গে। তার মধ্যেই পরপর দুই কেন্দ্রে প্রার্থীদের সরে দাঁড়ানো রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিরোধীরা বিষয়টিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরলেও, মমতা শিবিরের দাবি, পরিকল্পিত চাপের রাজনীতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

