বিসর্জনের শোভাযাত্রায় যমদূত হয়ে ছুটে আসছিল বাইক! ভিড়কে বাঁচিয়ে মৃত্যু সিভিক ভলান্টিয়ারের

রাজগঞ্জ: বিসর্জনের শোভাযাত্রায় কর্তব্যরত অবস্থায় বাইকের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রাজগঞ্জের বেলাকোবা এলাকায়।

শনিবার রাত প্রায় ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ বেলাকোবার বাবুপাড়ায় বিসর্জনের শোভাযাত্রায় ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন আজিজুল হক (৩৫)। সেই সময় একটি দ্রুতগতির মোটরবাইক শোভাযাত্রার ভিড়ের দিকে ছুটে আসতে দেখে সেটিকে আটকানোর চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময়ই বাইকের ধাক্কায় গুরুতর জখম হন আজিজুল।

স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে, স্থানীয় সূত্রেই জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি কলেজ মোড় সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বেলাকোবা ফাঁড়ির পুলিশ।

পরিবারে বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী এবং একটি ছোট সন্তানকে রেখে চলে গেলেন আজিজুল হক। এলাকার বাসিন্দাদের কথায়, ভিড়ের মধ্যে বড় দুর্ঘটনা এড়াতেই তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে তাঁর এই মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বেলাকোবা।

ঘড়ির কাটায় ১০:১৫, শোভাযাত্রা করে প্রতিমা নিরঞ্জনে নিয়ে যাচ্ছে পাড়ার লোকজন …
সেই ভিড় সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন বছর ৩৫-এর সিভিক ভলান্টিয়ার আজিজুল। বাড়ি অদূরেই বেলাকোবার বাবুপাড়ায়। ঘরে বাবা-মা ছাড়াও স্ত্রী এবং ছোট্ট মেয়ে রয়েছে।
শনিবার রাতে বিসর্জনের শোভাযাত্রায় ভিড় সামলানোর ডিউটি পড়েছিল তাঁর। সোয়া দশটা নাগাদ আচমকাই ওই ভিড়কে লক্ষ্য করে যমদূত হয়ে দ্রুত গতিতে ছুটে আসছিল একটি বাইক। ভিড়কে বাঁচাতে গিয়ে বাইকের সামনে ছুটে গিয়েছিল আজিজুল, থামাতে হবে যেকোনওভাবে। ভিড়ের সঙ্গে সংঘাত ঠেকানো গেল, কিন্তু বাইকের ধাক্কায় প্রাণটাই চলে গেল সিভিক ভলেন্টিয়ার আজিজুলের। বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
এদিকে, স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবক নাকি বেলাকোবার কলেজ মোড় সংলগ্ন এলাকাতেই থাকেন। ঘটনার তদন্ত করে দেখছে বেলাকোবা ফাঁড়ির পুলিশ। পরিবারে বাবা-মা, স্ত্রী ও ছোট্ট সন্তানকে রেখে এমন অকালে চলে গেলেন পরিবারের একমাত্র প্রধান উপার্জনকারী। এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ বেলাকোবা।

About The Author