পালাবদলের পরই TMC-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে পদত্যাগ প্রধানের, দলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ

জলপাইগুড়ি: অপহরণ করে ভয় দেখিয়ে তাঁকে তৃণমূলে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিল! পালাবদলের পরই TMC-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে পদত্যাগ প্রধানের, দলের বিরুদ্ধেই ভয়ঙ্কর অভিযোগ।

জলপাইগুড়ি সদর বিডিও অফিসে শুক্রবার বিকেলে নাটকীয়ভাবে পদত্যাগ করলেন বেলাকোবা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পূর্ণিমা রায়। স্বামী অমর রায়কে সঙ্গে নিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং ঘোষণা করেন—তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন। বিস্ফোরক অভিযোগে পূর্ণিমা জানান, তাঁকে অপহরণ করে ভয় দেখিয়ে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং প্রধানপদে বসানো হয়েছিল।

২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ত্রিশংকু ফলাফলের পর তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাসের নেতৃত্বে তাঁকে জোর করে দলে টেনে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর থেকে নামমাত্র প্রধান হলেও কার্যত কৃষ্ণ দাসের নির্দেশেই চলেছে পঞ্চায়েত। দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে বারবার। ২৬’শের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর একাধিক সন্ত্রাসের ঘটনায় অভিযুক্ত কৃষ্ণ দাস এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। তাঁর ভয় কেটে যাওয়াতেই পূর্ণিমা রায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে তিনি ফের বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে, এখন কাউকে দলে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই। অন্যদিকে সিপিএম কটাক্ষ করেছে— “চোরেরা পালানোর চেষ্টা করছে।” জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য এই ঘটনায় নীরব থেকেছে।

About The Author