জলপাইগুড়ি: আইনি জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে মনোনয়ন জমা দিতে ঢুকলেন রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মন।
রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে আইনি জটিলতায় আটকে ছিল। প্রথম দফার ভোটের ক্ষেত্রে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৬ এপ্রিল, সোমবার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের ছাড়পত্র (NOC) না পাওয়ায় তিনি মনোনয়ন জমা দিতে পারছিলেন না, যেখানে প্রায় সকলেই ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়ে দিয়েছেন।
শেষ মুহূর্তে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, হয়তো টিকিট না পেয়ে বিক্ষুব্ধ বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়কেই বিকল্প প্রার্থী হিসেবে ভাবা হতে পারে। এমনকি তাঁকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। তবে রবিবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অবশেষে স্বপ্না বর্মনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী সোমবার দুপুরে তিনি মনোনয়ন জমা দিতে ঢুকেছেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বপ্না বর্মন রেলের একজন আধিকারিক হিসেবে চাকরি পেয়েছিলেন। অভিযোগ ওঠে, চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় তিনি তৃণমূলের যোগদান করেছেন এবং বিধানসভা ভোটের টিকিট পেয়েছেন। বিধিভঙ্গের অভিযোগে রেল তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে। এই মামলা নিয়েই বিলম্ব হয়। রেল কেন মামলা করল, তিনি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কি না—এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে সময় কম ছিল।
তবে জানা গিয়েছে, স্বপ্না বর্মনের হয়ে দল এবং তাঁর প্রতিনিধিরা দিল্লি থেকে ছাড়পত্র করিয়ে নিয়ে এসেছেন। ফলে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা রইল না। সোমবার দুপুরে মনোনয়ন জমা দিতে ঢুকলেন স্বপ্না। সঙ্গে জলপাইগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাসও ছিলেন।

