রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন জেলে যাবেন কি না, তা নিয়েই এখন চায়ের দোকান থেকে মাছের বাজার, ক্লাবের মাঠ থেকে বয়স্কদের আড্ডা, সর্বত্র চলছে আলোচনা। মানুষের কৌতূহল তুঙ্গে।
মাসখানেক আগে কলকাতার দত্তাবাদে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত হন প্রশান্ত বর্মন। নিম্ন আদালতে পাওয়া জামিন বাতিল করে হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ তাঁকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। পরে সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান। কিন্তু বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর আবেদন খারিজ করে ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে।
৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও আত্মসমর্পণ করেননি প্রশান্ত বর্মন। ফলে সরস্বতী পূজার দিন তিনি আত্মসমর্পণ করবেন কি না, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ সবাই চাইছেন, খুনের মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বিডিওর সাজা হোক।
অন্যদিকে বিডিও দপ্তরের কর্মীরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মীর কথায়, “মনের দিক থেকে অনেকটা ঝরঝরে লাগছে।” ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সঞ্জীব মোদক জানিয়েছেন, সবাই উৎসুক সরস্বতী পূজার দিন কী ঘটে তা দেখার জন্য। এলাকার তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতা শেখ ওমর ফারুখ এই নিয়ে বলেন, রাজগঞ্জের নাম টা এখন উনার সৌজন্যে কুখ্যাত হয়ে গেছে। আগে কোনওদিন শুনিনি এমন কথা। ঠিকাদাররাও আশায় বুক বেঁধেছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের সঙ্গে কাজ শুরু করার জন্য।

