শিলিগুড়ি: পুলিশ এখনও পর্যন্ত তাঁকে ধরতে পারেনি। এই অবস্থায় শনিবার সাসপেন্ডেড বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে রাজগঞ্জের বিডিও অফিসে দেখা যায়।
কলকাতার স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মামলায় অভিযুক্ত ও সাসপেন্ডেড রাজগঞ্জের প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালত ২৩ জানুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে তিনি দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে পলাতক। পুলিশের খাতায় ‘ফেরার’ হিসেবে নাম থাকলেও এখনও পর্যন্ত তাঁকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
এই অবস্থায় শনিবার হঠাৎ করেই তাঁকে দেখা যায় রাজগঞ্জের বিডিও অফিসে। নীলবাতি লাগানো গাড়িতে হুটার বাজিয়ে তিনি দুপুরে দু’বার অফিসে আসেন। কর্মীদের সঙ্গে হাসি–মজা করে কথা বলেন, তবে নিজের পুরোনো চেম্বারে ঢোকেননি। যাওয়ার সময় বলে যান, সন্ধ্যায় আবার আসবেন।
প্রশান্ত বর্মনের এই উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর অফিসে আসার খবর তাঁদের কাছে ছিল না। জয়েন্ট বিডিও সৌরভকান্তি মণ্ডলও তখন দপ্তরে ছিলেন না।
প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত নভেম্বরে কলকাতায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় তাঁর নাম জড়ায়। আগাম জামিন খারিজ হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টও আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু তিনি আদালতে হাজির হননি। এর পরেই তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর হঠাৎ অফিসে উপস্থিতি প্রশাসনিক মহলে এবং রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, বলাই বাহুল্য।

