কলকাতা: ভোট ঘোষণা হল বাংলায়। দু’দফায় হবে নির্বাচন। এরপরই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে প্রতিক্রিয়া ও পাল্টা প্রতিক্রিয়া।
তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, “শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই তৃণমূল চতুর্থবার ক্ষমতায় ফিরবে। লিখে রাখুন, এবারে তৃণমূল ২৫০টিরও বেশি আসনে জয়লাভ করবে।”
পাশাপাশি, তিনি অভিযোগ করেন, গতবার করোনার সময় আট দফায় ভোট করানো হয়েছিল, যার কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। এবার মাত্র দুই দফায় ভোট হচ্ছে, যা বাংলার স্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রমাণ। কুণালের দাবি, বাংলার মানুষ যারা রাজ্যের মঙ্গল করেছে তাদেরই সমর্থন করবে, আর যারা করেনি তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
একই সুর শোনা গেছে তৃণমূল নেত্রী সাগরিকা ঘোষ–এর বক্তব্যেও। তিনি বলেন, বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে বাংলায় আইনশৃঙ্খলার কোনও অস্তিত্ব নেই। কিন্তু যদি সত্যিই পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হতো, তাহলে কি মাত্র দুই দফায় ভোট সম্ভব হতো?
তাঁর মতে, নির্বাচন দুই দফায় হচ্ছে মানে রাজ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। তৃণমূলের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ তোলা হয়েছে যে বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় (SIR) বহু বৈধ নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
দলের দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের নাম বর্তমানে ইলেক্টোরাল রোলসে নেই। ফলে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তৃণমূল আশা প্রকাশ করেছে, কমিশন ভোটের দিন আসার আগেই এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।

