নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। সেখানে তারক রহমানের হাতে প্রধানমন্ত্রীর তরফে শোকবার্তা তুলে দিয়ে পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁর কোনও আলাপ হয়নি। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে স্বাভাবিকভাবেই।
ঢাকার কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, জয়শঙ্করের এই সিদ্ধান্ত হয়তো ভারতের কূটনৈতিক বার্তা—অন্তর্বর্তী সরকারের স্থায়িত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এখনও সতর্ক অবস্থান বজায় রাখছে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে, বিএনপি নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানানোকে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন স্পষ্ট করেছেন, এই সফরকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত নয়। তাঁর মতে, জয়শঙ্করের সফর ছিল নিতান্তই সৌজন্যমূলক। কোনও দ্বিপাক্ষিক বা রাজনৈতিক আলোচনাই হয়নি। তিনি বলেন, “ভারতের বিদেশমন্ত্রী পুরো অনুষ্ঠানেই ছিলেন। এটা ছিল সৌজন্যবোধের প্রকাশ, এর বেশি কিছু নয়।” জয়শঙ্করের সংক্ষিপ্ত সফরকে ঘিরে বিতর্ক থাকলেও, সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী এটি ছিল কেবল শোকানুষ্ঠান কেন্দ্রিক সৌজন্য সফর।

