ইরানে এক ১৯ বছর বয়সি চ্যাম্পিয়ন কুস্তিগীর সালেহ মহম্মদি–সহ আরও দুই জনকে জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, এই ঘটনা সরকারের বিরোধী দমন অভিযানের তীব্রতা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নিহতদের মধ্যে ছিলেন সালেহ মহম্মদি, সঈদ দাভোদি এবং মেহেদি ঘাসেমি। অভিযোগ, ২০২৬ সালের জানুয়ারির বিক্ষোভ চলাকালীন দুই পুলিশ সদস্যকে হত্যার সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করা হয়েছিল। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, অত্যন্ত অন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে এবং নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছিল।
নরওয়ে-ভিত্তিক Iran Human Rights সংগঠন বলেছে, এটি আসলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও জানিয়েছে, অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে আগামী দিনে আরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে।
এই ঘটনার পর ইরান জুড়ে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ক্রীড়াবিদদের টার্গেট করে আতঙ্ক ছড়ানো এবং জনমত দমন করার কৌশল নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে, ইরানকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার জন্য।

