কোচবিহার বাজিকাণ্ডে ধৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়ায় জামিন পেলেন ৭ জন। তদন্তে প্রশ্ন।
দীপাবলির রাতে বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ ওঠে। তাঁর বাংলোর সামনে বাজি ফাটানোয় তিনি লাঠিপেটা করেন বলে অভিযোগ, যার জেরে পাঁচ শিশু-সহ সাতজন হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরদিন অবরোধে অংশ নেওয়া ৭ জনের বিরুদ্ধে IPC-র ১০৯, ১৩২, ১৪৯, ২২৩ ধারায় মামলা করে পুলিশ—যার মধ্যে খুনের চেষ্টা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে জমায়েতের অভিযোগও ছিল।
তবে শুক্রবার কোচবিহার আদালতে পুলিশ কোনও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার বা প্রাণঘাতী হামলার প্রমাণ দিতে পারেনি। কেস ডায়ারিতে অভিযোগ থাকলেও প্রমাণের অভাবে বিচারক সকলকে জামিন দেন।
ধৃতদের আইনজীবী আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, “এই মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পুলিশ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ।”
এদিকে, প্রাক্তন SP দ্যুতিমান ভট্টাচার্যকে সরিয়ে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের ৩ নম্বর ব্যাটালিয়নে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে বিতর্ক ছড়িয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, “পুলিশ নিজেই আইন ভাঙছে, আর নিরীহদের ফাঁসাচ্ছে।”

