সম্প্রতি নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিপুল ৯৯.৯৩% ভোটে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, তাঁর বিরুদ্ধে পড়েছে ০.০৭% ভোট। সংখ্যায় সামান্য হলেও এই ভোট ঘিরে দেশ-বিদেশে আলোচনার ঝড় উঠেছে। কিমের বিরুদ্ধে পড়া ০.০৭% ভোটার নিয়ে উদ্বেগে উত্তর কোরিয়া। সর্বাধিনায়ক কিম জন উনও চিন্তায় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের দাবি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৫৭ সালের পর এই প্রথম কিমের বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে। একনায়কতান্ত্রিক শাসনের জন্য পরিচিত কিমের দেশে এমন সাহস দেখানো বিরল। নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলছেন—কারা সেই মানুষ, যারা কিমের বিরুদ্ধে ভোট দিতে সাহস করলেন? কেউ কেউ মজা করে লিখেছেন, “০.০৭ শতাংশ মানুষই এখন উত্তর কোরিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড।”
উত্তর কোরিয়ার মতো দেশে নির্বাচনকে অনেকেই নিছক প্রহসন বলে মনে করেন। অতীতে হিটলার বা গদ্দাফির মতোই কিমও লোকদেখানো গণতন্ত্রের আড়ালে নিজের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে চান। তাই তাঁর বিরুদ্ধে ভোট পড়ায় কিম যে তা ভালোভাবে নেবেন না, সে বিষয়ে ওয়াকিবহাল মহল নিশ্চিত।
- উত্তর কোরিয়ায় কিম জন উন ৯৯.৯৩% ভোটে জয়ী হলেও ০.০৭% বিরোধী ভোট ঘিরে জল্পনা। ১৯৫৭ সালের পর প্রথমবার শাসকবিরোধী ভোট।

