মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট তীব্র হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাশে দাঁড়াল ভারত সরকার। জরুরি ভিত্তিতে ভারতের অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আজই বাংলাদেশে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, ডিজেল পাঠানোর পাম্পিং কার্যক্রম ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। দেশটির সরকার বলছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখা এবং সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানির ফলে পরিবহন খরচ ও সময় দুটোই কমবে, পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও স্থিতিশীল হবে।
এর আগে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন। বিপিসি জানিয়েছে, বর্তমান চালানের পাশাপাশি শিগগিরই আরও ৫ হাজার টনের আরেকটি চালান আসবে। বাংলাদেশ সরকার মনে করছে, এই পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা আনবে এবং সংকট সামাল দিতে সহায়ক হবে। বিপদেই বন্ধু চেনা যায়, আরও একবার প্রমাণিত হল। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আবহে জ্বালানির সংকট তীব্র হচ্ছে সর্বত্রই।

