মানুষের মাংস খাওয়ার জন্য খুন করা হয় একজনকে। সেই ঘটনায় ফিরদৌস আলম নামের অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। দিনহাটার সেই রোমহর্ষক ঘটনায় খুনের ঘটনা পুনঃনির্মাণ করল সাহেবগঞ্জ পুলিশ।
দিনহাটার কুৎসারহাট এলাকায় ভবঘুরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন মোড়। অভিযুক্ত ফিরদৌস আলমকে নিয়ে বুধবার সাহেবগঞ্জ পুলিশ ঘটনার পুনঃনির্মাণ করে। অভিযুক্তের ঘাড়ে পুতুল তুলে খুনের সময়কার পরিস্থিতি পুনরায় সাজানো হয়। সেই সময় পুকুর থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত ১০ জানুয়ারি কুৎসা হাট এলাকায় এক ভবঘুরের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ ফিরদৌস আলমকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তোলা হলে তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জেরা শুরু হয়। জেরায় উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য— অভিযুক্ত নাকি নরমাংস খাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই ভবঘুরেকে খুন করেছিলেন।
পুলিশের দাবি, মৃতদেহে একাধিক কাটাকাটা দাগ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে মাংস কেটে নেওয়া হয়েছিল বলে সন্দেহ। আরও অভিযোগ, অভিযুক্ত জানিয়েছেন দেহাংশ বাড়িতে এনে ধোয়া হয়েছিল, পরে শ্মশানে ফেলে দেওয়া হয়।
দিনহাটার এসডিপিও ধীমান মিত্র জানিয়েছেন, অভিযুক্ত যে বিবরণ দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ী ঘটনাস্থলে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, সত্যিই কি নরখাদক প্রবণতা থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন ভয়াবহ ঘটনা আগে কখনও শোনেননি।

