জলপাইগুড়ি: নয়াবস্তির মেয়ে, স্কুলের ডাক নাম ‘বিউটি’, আজ তিনি ইতিহাসের আলোয় খালেদা জিয়া। জলপাইগুড়ির পাড়ায় স্মৃতিচারণা স্থানীয়দের।
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব কেটেছে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি শহরের নয়াবস্তি এলাকায়। স্থানীয়দের স্মৃতিতে আজও ভেসে ওঠে সেই ছোট্ট মেয়েটি, যাকে প্রতিবেশীরা আদর করে ডাকতেন ‘পুতুল’। আবার স্কুলে নাম ছিল বিউটি, বলেন স্থানীয়রা।
জানা যায়, জলপাইগুড়ি সদর গার্লস স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। দেশভাগের পর মজুমদার পরিবার সম্পত্তি হস্তান্তর করে বাংলাদেশে চলে যান। সেই বাড়ি বহুবার হাতবদল হয়ে বর্তমানে গোপ ও চক্রবর্তী পরিবারের দখলে। খালেদার মৃত্যুতে শোকাহত ওই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, “আমাদের বাড়ির সঙ্গে তাঁর স্মৃতি জড়িয়ে আছে, তাই এই খবর আমাদেরও ব্যথিত করেছে।”
খালেদার বাবা ইস্কান্দর মজুমদার ছিলেন ব্যবসায়ী। তিনি ১৯১৯ সালে ফেনী থেকে জলপাইগুড়ি এসে ব্যবসা শুরু করেন। ১৯৩৭ সালে বিয়ে করেন বেগম তৈয়বা মজুমদারকে। এরপর ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জলপাইগুড়িতে জন্ম নেন তাঁদের কন্যা খালেদা। চাঁদের মতো উজ্জ্বল মুখশ্রী দেখে পরিবারের সদস্যরা তাঁর ডাক নাম রাখেন ‘পুতুল’। পুরো নাম ছিল খালেদা খানম পুতুল।
আজ তাঁর প্রয়াণে জলপাইগুড়ির ওই পাড়ায় একটু হলেও বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে স্মৃতির দীর্ঘশ্বাস। স্থানীয়রা বলছেন, “আমাদের মেয়েটি আজ নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি চিরকাল থাকবে।”
- বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শৈশব কেটেছে জলপাইগুড়ির নয়াবস্তিতে। সদর গার্লস স্কুলে পড়াশোনা, ডাক নাম ‘পুতুল’। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত স্থানীয়রা।

