১০০ দিনের কাজের টাকার দিচ্ছে না কেন্দ্র, আর সেই টাকা ফেরাতে সদলবলে দিল্লি রওনা দিলেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। কর্মীরা বাসে আর নেতারা প্লেনে। আগেই কেন্দ্র বিশেষ ট্রেন বাতিল করেছে বলে অভিযোগ ওঠে, এবার প্লেনের টিকিট ক্যানসেল বাতিলের অভিযোগ তুললেন সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।
সোমবার দিল্লির মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থল রাজঘাট এবং মঙ্গলবার দিল্লির যন্তরমন্তরে তৃণমূল মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থ বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে। যদিও আজ সকাল আটটায় হাওড়া স্টেশন থেকে বিশেষ ট্রেন ‘তৃণমূল এক্সপ্রেস’ ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু রেল দপ্তর তৃণমূলের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েও ট্রেন না দেওয়ায় তাদের কর্মী–সমর্থকেরা বাসে করে দিল্লি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
যদিও তৃণমূল কংগ্রেস আগেই ২২ বগির একটি ট্রেন ভাড়াও করেছিল আইআরসিটিসি (ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম করপোরেশন) থেকে। ভাড়া বাবদ তারা গুনেছিল ৫০ লাখ রুপি এবং সিকিউরিটি মানি জমা দিয়েছিল ১১ লাখ রুপি। কিন্তু সেই ট্রেন শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল শুক্রবারই জানিয়ে দেন, বিকল্প যান হিসেবে বাসে করে যাবেন তৃণমূলের নেতা, কর্মী, সমর্থকেরা। এমন বাস অবশ্য আরও যাবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে দিল্লিতে।
২ ও ৩ অক্টোবর রয়েছে রাজধানী দিল্লিতে তৃণমূলের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ঘেরাও অভিযান। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া কথা অভিষেকের। পশ্চিমবঙ্গের ১০০ দিনের কাজসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পের অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে তৃণমূলের অভিযোগ। সেই অর্থ আদায়ের লক্ষ্যেই এই দিল্লি যাত্রা। কলকাতা থেকে দিল্লির দূরত্ব ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।